
হাদিউস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন শিক্ষা, দাওয়াহ ও মানবকল্যাণে নিবেদিত একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও সরকার নিবন্ধিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান (নিবন্ধন নং: এস-১৪৯০৬/২০২৬)।
২০২১ সালে বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তবিদ শায়খ জাফর উল্লাহ চৌধুরী এটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছেন।
মানবতার মুক্তির দূত ও শান্তির প্রতীক মহানবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুমহান আদর্শ ও পদাঙ্ক অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবা, সার্বিক সমাজসংস্কার, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং পরিচ্ছন্ন মানসিকতা গঠনের লক্ষ্যে ফাউন্ডেশনটি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সালাফে সালিহীনের অনুসৃত পথ ধরে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে একটি আদর্শ, কল্যাণকামী ও সুশৃঙ্খল সমাজ বিনির্মাণ এবং বিশুদ্ধ দ্বীনি ইলমের বহুল প্রচার ও বিস্তারই হাদিউস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মূল লক্ষ্য ও নীতি।
মানবতার প্রকৃত কল্যাণ ও ন্যায়বিচারের পথে
হাদিউস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের আদ্যোপান্ত
আমাদের আদর্শিক মূল্যবোধ সমূহ

সালাফ-উস-সালেহীনদের জীবনদর্শন অনুসরণ করে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর সঠিক বিধানে পরিচালিত হয় আমাদের পথ।

নবীজি (সা.)-এর পবিত্র সুন্নাহ ও চারিত্রিক মাধুর্যকে প্রতিটি সাংগঠনিক পদক্ষেপে বাস্তবায়ন করা আমাদের লক্ষ্য।

সুস্থ ও আদর্শ জাতি গঠনে নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের মাধ্যমে ক্রমাগত পরিবর্তন আনয়ন করা আমাদের ব্রত।

মানুষের চিন্তা ও মননে একটি ইনসাফ ভিত্তিক ও ইতিবাচক বিশ্বাস তৈরি করা আমাদের মিশন।

সকল দলীয় প্রভাব মুক্ত থেকে একটি নিরপেক্ষ ও দানশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা আমরা শতভাগ নিশ্চিত করি।

সাহায্যের প্রতিটি ধাপে পরম স্বচ্ছতা ও দাতা সদস্যদের নিকট নিখুঁত জবাবদিহিতা প্রদান আমাদের নৈতিক দায়।

একনিষ্ঠতা: কেবল প্রভুর সন্তুষ্টির আশায় জাগতিক কোনো নাম বা খ্যাতির মোহ ছাড়াই কাজগুলো সুসম্পন্ন করে থাকি।

মানবিক সম্প্রীতি: কোনো বৈষম্য ছাড়াই সকল মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখে জীবনযাত্রার মানে উন্নতি আনা।

প্রজ্ঞা ও ভারসাম্য: চরমপন্থা বর্জন করে নম্রতা বজায় রেখে ইসলামের সুমহান বাণী প্রচারের ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা চর্চা।

ঐক্যবদ্ধ উম্মাহ: বিভেদ ও তর্কমূলক কর্মকাণ্ড এড়িয়ে মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সংহতি সুদৃঢ় করা।

যোগ্যতা ও আমানত: পরিচালনার প্রতিটি স্তরে স্বজনপ্রীতি রুখে দিয়ে পারদর্শিতা ও নৈতিকতাকে প্রধান মাপকাঠি ধরা।

দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণ: আমরা সাময়িক ত্রাণের চেয়ে কর্মসংস্থান ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানুষকে স্বাবলম্বী করার স্বপ্ন দেখি।


